শিরোনাম :

প্রচ্ছদ » ইসলাম

ইসলামি রাষ্ট্র না হলে জাকাত দিতে হবে না- কথাটি সঠিক নাকি ভুল?

সোম, ১৪ মার্চ'২০১৬, ২:৩৫ অপরাহ্ন


ইসলামি রাষ্ট্র না হলে জাকাত দিতে হবে না- কথাটি সঠিক নাকি ভুল?  
এটি একেবারেই ভ্রান্ত ধারণা। আপনি ইসলামি রাষ্ট্র নেই বলে খাওয়া বাদ দেননি, কাপড় পরা বাদ দেননি, উপার্জন বাদ দেননি- তাহলে জাকাত কেন বাদ দেবেন। জাকাত ফরজ বিধান। নামাজ যেমন ফরজ। ইসলামি রাষ্ট্রের সঙ্গে যেমন তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তেমনি জাকাত আদায়ে রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততা খোঁজা বোকামি।

অনেকেই এমনটা বলে থাকেন, জাকাত রাষ্ট্র কর্তৃক ফরজ হয়েছিল। নবীজি এবং খলিফাগণ জাকাত আদায়ে উদ্যোগ নিয়েছেন। এখন যেহেতু ইসলামি রাষ্ট্র নেই। জাকাত প্রদানে সরকারও কোনো উদ্যোগী হয় না। সুতরাং জাকাত দিতে হবে না।
এটি একেবারেই ভ্রান্ত ধারণা। আপনি ইসলামি রাষ্ট্র নেই বলে খাওয়া বাদ দেননি, কাপড় পরা বাদ দেননি, উপার্জন বাদ দেননি- তাহলে জাকাত কেন বাদ দেবেন। জাকাত ফরজ বিধান। নামাজ যেমন ফরজ। ইসলামি রাষ্ট্রের সঙ্গে যেমন তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তেমনি জাকাত আদায়ে রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততা খোঁজা বোকামি।
জাকাত স্বউদ্যোগেই আদায় করতে হবে। জাকাত হলো আপনার কাঁধের ওপর বসে থাকা দায়। সে দায় থেকে মুক্ত হওয়া আপনার অবশ্য কর্তব্য। হাদিসে পাকে জাকাতকে ইসলামের তৃতীয় স্তম্ভ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। হজরত উমর রা. বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ইসলামের মূল ভিত্তি পাঁচটি জিনিসের উপর প্রতিষ্ঠিত। ১. এ কথার সাক্ষ্য দেওয়া, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং হযরত মুহাম্মদ [সা.] আল্লাহর রাসুল। ২. নামাজ আদায় করা। ৩. জাকাত প্রদান করা। ৪. হজ করা এবং ৫. রমজান মাসের রোজা রাখা।
অন্য হাদিসে হজরত আবু উমামা [রা.] সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বিদায় হজের দিন রাসূল [সা.]-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, ‘তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় কর। রমজান মাসের রোজা রাখ এবং তোমাদের মালের জাকাত দাও।’
এ ছাড়া বহু হাদিসে যাকাতের ফজিলত, জাকাত প্রদানের উৎসাহ ও জাকাত আদায় না করার উপর কঠোর শাস্তির কথা বলা হয়েছে। সুতরাং যাকাতের ব্যাপারে কোনো দ্বিমত প্রকাশের সুযোগ নেই। উজর আপত্তির সুযোগ রাখা হয়নি।





এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন

close