শিরোনাম :

প্রচ্ছদ » প্রবাস বাংলা

স্বাধীনতা দিবস হোক ধর্ষণ-হত্যা-দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ

রবি, ২৭ মার্চ'২০১৬, ১:১০ অপরাহ্ন


স্বাধীনতা দিবস হোক ধর্ষণ-হত্যা-দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ  
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে পর্তুগালের এর রাজধানী লিসবনে বৃ্হত্তর নোয়াখালী এসোসিয়েশন অব পর্তুগালের এর উদ্যোগে এক আলোচনা ও নৈশভোজ সভায় অনুষ্ঠিত হয়।

লিসবনের ফুড ভিলেজ ইন্ডিয়ান রেষ্টুরেন্টে বিপুল সংখ্যক প্রবাসীদের উপস্হিতে উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি এবং বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যাক্তিত্ব হুমায়ন কবির জাহাঙ্গীর, সংগঠনের সাধারন সম্পাদক মহিন উদ্দিনের সঞ্চালনায় শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত ও মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর শহীদদের প্রতি সকলে দাঁড়িয়ে সম্মান ও শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের  সিনিয়ার সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সংগঠনের উপদেষ্ঠা আবুল বাশার, সহসভাপতি মিজানুর রহমান মাসুদ, কমিউনিটি ব্যাক্তিত্ব এম এ খালেক, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল করিম মানিক, রনি মোহাম্মদ, আইয়ুব খান, রিজবী আহম্মেদ, হায়দার হোসেন, মহিন উদ্দিন, নিজাম উদ্দিন সহ প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা মহান স্বাধীনতা দিবস মুল্যায়ন এবং মহান বীর শহীদদের আত্মত্যাগ নিয়ে আলোচনায় বলেন ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের মানুষ একটি কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে ঘোষণা করেছিলো, আমরা স্বাধীন, আমরা মুক্ত। আর এ ঘোষণার মধ্য দিয়েই শুরু হলো যুদ্ধ।

মুক্তির জন্য যুদ্ধ, অধিকার আদায়ের জন্য যুদ্ধ। রক্তক্ষয়ী দীর্ঘ নয়মাসের সেই যুদ্ধ শেষে বিজয় অর্জিত হলো ১৬ ডিসেম্বরে।

কিন্তু স্বাধীনতার এতো বছর পর এখনও বাংলাদেশে হরহামেশাই ঘটছে তনুদের মত অসহায় মেয়েদের ধর্ষণ এবং হত্যার মতো ঘৃণ্য সব কর্মকাণ্ড।

স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর আজ ষড়যন্ত্র হচেছ ইসলাম ধর্ম নিয়ে। এইসব কারণে এতো বছর পরও দেশ নামে স্বাধীন হলেও স্বাধীনতার কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্র গড়ে ওঠছে না।

প্রবাস থেকে আজ আমাদের একটি চাওয়ার এবং বলবো ২০১৬ সালের স্বাধীনতা দিবস হোক ধর্ষণ-হত্যা-দুর্নীতিমুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশ। 




এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন

close