শিরোনাম :

প্রচ্ছদ » রাজনীতি

সন্ত্রাসবিরোধী ঐক্য সরকারের সদিচ্ছায় বিএনপির সংশয়

সোম, ০৪ Jul'২০১৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন


সন্ত্রাসবিরোধী ঐক্য সরকারের সদিচ্ছায় বিএনপির সংশয়  

উগ্রবাদ ও সন্ত্রাস মোকাবেলায় জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ঐক্য চাই, তবে খালেদাকে নিয়ে নয়: হানিফ
বনানী আর্মি স্টেডিয়ামে সোমবার সকালে গুলশানে জঙ্গি হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর বিএনপি মহাসচিব সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই অভিব্যক্তি প্রকাশ করেন।

ঐক্য গড়তে হলে খালেদা জিয়াকে ক্ষমা চাইতে হবে এবং জামায়াত ছাড়তে হবে- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয় তার কাছে।

জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, “এখন দেশে একটা জাতীয় সঙ্কট চলছে। এই সময়ে তারা (আওয়ামী লীগের নেতারা) যদি উগ্রবাদ ও সন্ত্রাস মোকাবিলায় ঐক্যের চিন্তা করতো, তাহলে তারা এই ধরনের কথা-বার্তা বলতেন না।”

যুদ্ধাপরাধী দল জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গ বিএনপি ছাড়বে কিনা প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘‘এখানে এই প্রশ্নটি এখন অবান্তর।”

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘‘দেশে চরম সঙ্কট চলছে। গতকাল আমাদের নেত্রী এই ভয়াবহ সঙ্কট মোকাবিলায় সব ভেদাভেদ ‍ভুলে দল-মত নির্বিশেষে সন্ত্রাসবিরোধী জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন। আমরা মনে করি, দেশের এই পরিস্থিতিতে সব কিছুর উর্ধেব উঠে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”
এর আগে মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে বিএনপির প্রতিনিধিদল নিহতদের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

অন্যদের মধ্যে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান, রুহুল কবির রিজভী, মাহবুবউদ্দিন খোকন, নাজিমউদ্দিন আহমেদ, আনহ আখতার হোসেন, শাইরুল কবির খান ও এনডিপির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মূর্তজা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

গত শুক্রবার রাতে গুলশান ২ নম্বরের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা চালায় একদল অস্ত্রধারী জঙ্গি; দেশি বিদেশি অন্তত ৩৩ জন সেখানে জিম্মি হন।

প্রায় ১২ ঘণ্টা পর কমান্ডো অভিযান চালিয়ে ওই রেস্তোরাঁর নিয়ন্ত্রণ নেয় সশস্ত্রবাহিনী। ১৩ জন জিম্মিকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও ২০ জনের লাশ পাওয়া যায় জবাই করা অবস্থায়।

নিহতদের মধ্যে নয়জন ইতালির, সাতজন জাপানি ও একজন ভারতের নাগরিক। বাকি তিনজন বাংলাদেশি, যাদের মধ্যে একজনের যুক্তরাষ্ট্রেরও নাগরিকত্ব ছিল।




এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন

close