শিরোনাম :

প্রচ্ছদ » জাতীয়

যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিন

বৃহঃ, ০৬ এপ্রিল'২০১৭, ১১:১৬ অপরাহ্ন


যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিন  
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, দেশ ধ্বংসের আগেই এ সরকারকে বিদায় করতে হবে। আওয়ামী লীগকে বিদায় করার জন্য নিজেদের তৈরি করতে হবে। প্রত্যেক জেলায় জেলায় আমাদের জাতীয়তাবাদী সৈনিকদের এমনভাবে তৈরি করতে হবে তারা যেন কুমিল্লার সাক্কুর মতো যুদ্ধ করতে পারে। যে যুদ্ধ করে সাক্কু জিতে এসেছে, আগামীতে সেরকম যুদ্ধ করে জিততে হবে। আগামী নির্বাচনের যুদ্ধে আমরা ইনশাআল্লাহ বিজয়ী হতে পারব এবং আমরা সফল হব। তিনি বলেন, সাক্কু যুদ্ধ করে জিতেছে। এই বিজয়ে শুধু আনন্দিত হলে চলবে না, পরবর্তীর জন্য তৈরি হতে হবে। আগামী জাতীয় নির্বাচনের যুদ্ধের জন্য দলকে প্রস্তুত করতে হবে। আমাদের সেজন্য তৈরি হতে হবে।

মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লার নবনির্বাচিত মেয়র  মনিরুল হক সাক্কু ও জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা রাজধানীর গুলশানস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে দেখা করতে এলে বেগম জিয়া একথা বলেন।

বেগম খালেদা জিয়া বলেন, কুমিল্লা সিটি নির্বাচন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের প্রথম পরীক্ষা। আমরা আশা করেছিলাম, অন্ততপক্ষে তিনি যে নিরপেক্ষ একটা প্রতিষ্ঠানে বসেছেন, তিনি নিরপেক্ষতা দেখাবেন, প্রমাণ করবেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হয় তিনি নিরপেক্ষ নন। তিনি আওয়ামী লীগের হয়েই কাজ করেছেন, সেখানে নিরপেক্ষতার কোনো প্রমাণ রাখেননি। কাজেই এই নির্বাচন কমিশনার আর হাসিনা— এরা থাকলে দেশে কখনো সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে না।

নির্বাচনী ভোটকেন্দ্রে এজেন্টদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়ার তাগিদ দিয়ে বেগম জিয়া বলেন, লোকজনকে ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। না হলে ওদের সঙ্গে পারা যাবে না। এটাও খেয়াল রাখতে হবে, আওয়ামী লীগ কী ষড়যন্ত্র করছে, কী কী কৌশল করছে, সেগুলো আমাদের নজর রাখতে হবে, খবর রাখতে হবে। যাতে তার কাউন্টার আমরা করতে পারি, সে চিন্তা আমাদের মাথায় রাখতে হবে। সেই সঙ্গে যারা দলের বিরুদ্ধে কাজ করবে ও বেইমানি করবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ধানের শীষের প্রার্থী সাক্কু যুদ্ধ করে জিতেছে মন্তব্য করে সেখানে গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বিএনপি চেয়ারপারসন। তিনি বলেন, সুষ্ঠু ভোট হলে সাক্কু ১১ হাজার নয়, ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতত।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, কুমিল্লা দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হাজী আমিনুর রশীদ ইয়াসীন, কেন্দ্রীয় নেতা এজেডএম জাহিদ হোসেন, শওকত মাহমুদ, খায়রুল কবির খোকন, ফজলুল হক মিলন, শহীদউদ্দিন চৌধুরী অ্যানি, আনোয়ারুল আজীম, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, মোস্তাক মিয়া, আব্দুল আউয়াল খান, খন্দকার মারুফ হোসেন, গফুর ভুঁইয়া, মোবাশ্বের আলম ভুঁইয়া, শাহিদুর রহমান তামান্না, কাইয়ুম হক রিংকুসহ কুমিল্লার নেতারা।



এ বিভাগের আরো সংবাদ

মন্তব্য করুন

close